You are visiting Premium Sweets Bangladesh. Click here to go to  
হরেক রকম কাবাবের প্লাটার শীতের আমেজে অতুলনীয়। আসুন সপরিবারে বা অর্ডার করুন টেকওয়ে। প্রিমিয়াম সুইটস্ গুলশান ২। গুলশান ১। উত্তরা রবীন্দ্র সরণী ৭নং সেক্টর বা উত্তরা ৬নং সেক্টরে অবিন্তা টাওয়ার ব্রান্চে।
Premium Sweets > Blog
বছরের গল্প।
শুক্রবার দুপুর ৩টা। গুলশান ২ সার্কেল। ৩য় তলায় জমজমাট ক্রেতার ভিড়। ফ্লোর টু সিলিং গ্লাস উইন্ডোর ঠিক সামনের টেবিলে ছজন গেষ্ট। সাউন্ডপ্রুফ গ্লাসের ওপারে গুলশান ২ সার্কেলের বহমান ট্রাফিক। ছুটির দিনের আমেজে চলছে কার, মিনিভ্যান, এসইউভি। বায়ে ওয়েস্টিন এর ছায়া। উইকএন্ডে শুক্রবার নামাজের পর গুলশান ব্রান্চে এমনটাই হয়। কেউ সুইটসের অর্ডারে ব্যস্ত, কারো প্লেটে মাটন শ্যাংক আচারী খিচুরী।
দুদিন পর রিটার্ন ফ্লাইট। সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সাথে লান্চ শেষে ক্যাজুয়াল কথাবার্তা। ব্রান্চ ম্যানেজার বলল, স্যার ছয়জনের টেবিলের ভদ্রলোক আপনাকে হ্যালো বলেছেন। নরমাল কার্টেসী; ওনার টেবিলের দিকে দুস্টেপ দেয়ার আগেই ভদ্রলোক নিজেই এগিয়ে এলেন। আশ্চর্য হলাম ওনার পার্সোনালিটিতে। শুধু নিজের নাম বললেন, হ্যান্ডশেকের পর হাত না ছেড়ে টেনে নিলেন নিজের টেবিলে। পরিচয় করিয়ে দিলেন ভাবী, ছেলে, মেয়ে , জামাই আর বৌমার সাথে। বললেন, প্রায়ই আসতেন আগে মিস্টি কেনাকাটায়। কয়েক বছর হল, নিজেও জানেন, শপ ম্যানেজমেন্ট ও জানে বছরের নানান পার্বনে কি অর্ডার তাঁর বা তার প্রতিস্ঠানের । ব্যক্তিত্ব আর বাচনভংগী বলে দিচ্ছে , সাফল্যে মন্ডিত জীবন। স্বভাবতই কৌতুহল। কি করেন ভদ্রলোক? আরেক রাউন্ড ছোট্ট ক্যারামেল লাতেঁ , সবার সৌজন্যে। বললেন, স্বপরিবারে সেপ্টম্বরে গিয়েছেন কানাডায়, মিসিসাগার ডেস্টিনেশন স্টোরে। গর্বে মাথা উঁচু হয়েছে, নর্থ আমেরিকায় সাউথ এশিয়ান মালিকানায় সবচেয়ে বড় রিটেইল শপের পরিচয়ে "Ambassador of Bengali Hospitality" দরজায় বড় অক্ষরে লেখা দেখে। বললেন, সত্যিই প্রিমিয়াম বাংলাদেশের গর্ব।
কি করেন ভদ্রলোক? এমন সাবলীল ভাবে আপন করে নেন সবাইকে !
কৌতুহল মিটে গেল তাদের চলে যাওয়ার পর। জানলাম, আজ খাওয়া দাওয়ার ফাঁকেই অর্ডার করেছেন বেশ কয়েকটা গিফট ডালার। বিভিন্ন রকমের মিষ্টি, ঘি, সেমাই চানাচুর আর কুকিস মিলিয়ে। আইবিএ থেকে বের হলেও, বছরের শেষ দশদিন, প্রতিবছরই, উপহার দেন, কয়েক দশক আগে গ্রাম-শহরের যেসব প্রতিষ্ঠানে তিনি, তার স্ত্রী পড়েছেন, সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যারা আজ চালাচ্ছেন তার বর্তমান শিক্ষকদের । যেভাবেই বছর কাটুক, কেটে তো যায় ।মনথেকে এটা করে চলেছেন আজ কয়েক যুগ। বছরের শেষ দশদিন অতীতের পথপ্রদর্শকদের জন্য। হা, বড় ও হয়েছেন। গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রী, শিপিং, স্পিনিং, ব্যাংক, বীমা, ইউনিভার্সিটি , এগ্রো সব মিলিয়ে কয়েক হাজার কর্মচারী। সাকসেসফুল জীবন।
সত্যিই, আবার মনে হল, আসলেই যারা বড় হয়েছেন তারা মনে রাখেন, কে তাদের মানুষ বানালো। চলুন, বছরের শেষ দশ দিন হোক আমাদের ও থ্যাংকস গিভিং। তাদের , যারা আমাদের পথ দেখিয়েছেন।
দেখতে দেখতে কেটেই গেল ২০১৬। শুভ হোক আগামী ..২০১৭, স্বাচ্ছন্দে কাটুক সারা বছর। যেখানে যেভাবেই থাকুন।
Good
Posted on : 2016-12-12
Posted By : Rakin

Nice
Posted on : 2016-12-04
Posted By : Rumman Khan